Posts

Showing posts from 2013

WAZIPOINT PHOTO

Image
wazipoint photo VIEW SLIDE SHOWDOWNLOAD ALL Download
Download Section
Click Here

১০০,০০০ বছর পরে কি হবে?

Image
১০০,০০০ বছর পরে মানুষের চেহারা দেখতে কেমন হবে?




ভবিষ্যৎ সবসময়ই অজানা, বিশেষ করে দুর ভবিষ্যৎ, কিন্তু মানুষের শিক্ষা ও কল্পনা কিছুতেই থেমে থাকার নয়। তাই তো শিল্পী ও গবেষক নিকোলে লেম ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটেশনাল জেনো-মিক্স এর বিশেষজ্ঞ ড: এলান কোয়ান এর সহায়তায় দেখতে চেষ্টা করছেন ভবিষ্যতকে।শুরুতেই তাদের প্রশ্ন ছিল: আজ থেকে ১০০,০০০ বছর পরের মানুষের দেখতে কেমন হবে? এবং কেন?
এযাবৎ পর্যন্ত প্রকৃতিগত কারণে সাধিত পরিবর্তনের আলোকে ভবিষ্যতে এডভান্সড জেনে-টিক ইঞ্জিয়ারিং টেকনোলজি সময়ের সাথে মানুষের আকার-আকৃতিতে কিভাবে পরিবর্তন সাধন করতে পারে, আসলে সে বিষয়টিই তারা দেখাতে চেয়েছেন। আর এ জন্য মি. লেম সময়ানুক্রমে মনুষ্য আকৃতি ২০,০০০ বছর, ৬০,০০০ বছর ও ১০০,০০০ বছর পরে কেমন হতে পারে তার ধারাবাহিক কিছু ছবি তৈরি করেছেন।
বর্তমানের ছবি: আপনি দেখতে যেমন
বর্তমানের একজন পুরুষ ও একজন মহিলার সাধারণ ও  অপরিবর্তিত ছবি।
২০,০০০ বছর পরের ছবি: আপনি দেখতে যেমন
এখানে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে, কিন্তু এখনও সেটা খুবই সামান্য। অপেক্ষাকৃত বৃহৎ মগজ ধারণের জন্য মাথার খুলিগুলো কিছুটা বড়। ভাল করে লক্ষ করলে চোখের চার দিকে হলুদ ব…

যে ছবি আপনাকে ফটোগ্রাফার বানাবে

Image
History of Photographymethod of recording the image of an object through the action oflight, or related radiation, on a light-sensitive material. The word, derived from the Greekphotos(“light”) andgraphein(“to draw”), was first used in the 1830s.
This article treats the historical and aesthetic aspects of still photography. For a discussion of the technical aspects of the medium, seephotography, technology of. For a treatment of motion-picture photography, orcinematography, see motion picture, history of, and motion-picture technology (FULL STORY)
But today we are going to see some killer photograph which will inspire you to being a photographer. Let see... 











অনাকাঙ্ক্ষিত কার্বণ ডা্ই- অক্সাইড থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন

Image
কার্বণ ডা্ই- অক্সাইড থেকে কি ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়?



গবষেকরা বিদ্যুৎ তৈররি নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করছেন-এ পদ্ধতিতে জিও-থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে ভূ-গর্ভস্থ অনাকাঙ্ক্ষিত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে লক্ করে দিয়ে প্রচলিত পদ্ধতি কম পক্ষে ১০ গুণ বেশি পাওয়ার উৎপাদন করা সম্ভব।
টেকনোলজিটি বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় প্রচলিত থাকলেও গবেষকরা এটাকে জিও-থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে ব্যবহার করে অধিক পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা প্রদানের লক্ষে নতুন আকারে উপস্থাপন করছেন। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে তাল-মিলিয়ে চলার উপযোগী এই প্রযুক্তির প্রতি গবেষকরা বেশ আশাবাদী।
নতুন এই পাওয়ার প্লান্টের ডিজাইন অনুসারে- সন্নিবেশিত রিং ভূ-গর্বের গভীরে হরিজন্টাল কূপের ভিতরে থাকে এবং রিং গুলোর ভিতর দিয়ে পৃথক পৃথক ভাবে কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ও পানি প্রবাহিত হয় যা মাটির গভীর থেকে তাপ সংগ্রহ করে ভূ-পৃষ্ঠের উপরে নিয়ে আসে; আর এই তাপকে কাজে লাগিয়ে টার্বাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
টাইপিক্যাল জিও-থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে মাটির গভীর থেকে উঠে আসা গরম পানি থেকে তাপ সংগ্রহ করে তা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় এবং ঠাণ্ডা পানিকে আবার মাটির গভীরে…

এই প্রিয় মাতৃভাষা

Image
মায়ের মুখের মধুর ভাষা
একটা ভিডিও ক্লিপ দেখতেছিলাম; বিষয় বস্তু মূলত একজন টুর অপারেট ম্যানেজার ও জৈনক কাস্টমারের সাথে টুর'ত্তোর ঝগড়ার দৃশ্য। মি. জন গত সপ্তাহে টুরে গিয়েছিল একটা টুর অপারেটর কোম্পানির তত্বাবধানে। যাওয়ার সময় প্লেন মিস না করলেও হোটেল থেকে এয়ারপোর্টে বাস পৌঁছতে দেরি করে প্রায় আধা ঘণ্টা। ফলে সবার মতো মি. জন'কেও মানুষিক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে।  তাছাড়াও গন্তব্যে পৌঁছানোর পর থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত সারাক্ষণ মুশলধারে বৃষ্টি থাকায় মি. জনের টুর'টা মোটেও ভাল হয়নি। তাই তো সার্ভিস ভাল না পেয়ে ম্যানেজারের কাছে এসেছেন কম্‌প্লেইন করতে। মি. জন'র দাবি যেহেতু টুর ভাল হয়নি তাই ম্যানেজার যেন মোট খরচের উপর ডিসকাউন্ট দিয়ে কিছু টাকা ব্যাক করেন। কিন্তু ম্যানেজারের লজিক- যেহেতু শেষ পর্যন্ত প্লেন মিস হয়নি ও সাইট-সি ভাল ভাবে না করাতে পারলেও তাকে পুরা হোটেল বিল পরিশোধ করতে হয়েছে, তাই কোন প্রকার ডিসকাউন্ট দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব না বলে ম্যানেজার দুঃখ প্রকাশ করছেন। অপরদিকে মি. জন তর্কে হেরে গিয়েও অন্তত "এক মাগে শীত যায়না" না বলে, শেষ করছেন "থ্যাংকস এনি ওয়ে&qu…

রঙ কথা বলে

Image
রং মানুষের মনের কথা বলে:
প্রত্যেক রঙেরই নিজস্ব অর্থ ও মনের মধ্যে আবেগ তৈরির এক বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। রঙ মনকে বলে দেয় কখন আনন্দে মেতে উঠতে হবে, আর কখন দুঃখে নীরব থাকতে হবে। তাই তো ফ্যাশনের ক্ষেত্রে রঙের সমন্বয় কিভাবে করতে হবে তা একটি অতি বিবেচ্য বিষয়। রঙ আপনার বাহ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রস্ফুটিত করতে পারে এবং একই সাথে আমাদের ও আমাদের চারিপাশের লোকজনের আচরণ প্রভাবিত করতে পারে। আপনার যদি জানা থাকে কোন রঙ কোন ধরনের আবেগ তৈরিতে সহায়তা করে তাহলে আপনি সহজেই পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথে সমন্বয় করে সঠিক রঙের পোশাক নির্বাচন করে সহজেই অন্যদের প্রভাবিত করতে পারেন।
পুরুষদের জন্য বিজনেস ও অফিসিয়াল ড্রেসে ট্রিমিংস যেমন-টাই, নেকটাই, বেল্ট, সু, মোজা ইত্যাদির রঙ নির্বাচন বিশেষ বিবেচ্য বিষয়। পোশাকের বড় অংশ যেমন-শার্ট ও প্যান্ট সাধারণত প্রচলিত রঙের হবে। সুটের রঙ সধারনত গ্রে, নেভি, জলপাই, চকলেট বা কফি। শার্ট অবশ্য বিভিন্ন রঙেরই হতে পারে, তবে অধিক ব্যাবহৃত হয় , সাদা, ব্লু ও গ্রে, অবশ্য পাশাপাশি ডোরা ও চেকও ব্যবহৃত হয়।
আমরা কিছু রঙের নিজস্ব অর্থ ও বৈশিষ্ট্য জেনে-নিব যা আমাদের পোশাকের সাথে সঠিক রঙের ট্রিমিং…

বর্জ্য কফি'র তলানিতে প্রতিশ্রুতিময় বিকল্প জ্বালানি

Image
বর্জ্য কফি'র তলানি থেকে  প্রতিশ্রুতিময় বিকল্প জ্বালানি পাওয়ার উপায় উদ্ভাবন করছেন বিজ্ঞানীরা


ভবিষ্যতের জ্বালানী সংকট নিয়ে কমবেশি সবাই চিন্তিত। আর এসময় আরও একটি আশার বার্তা হল- ফেলে দেওয়া পুরাতন কফি'র তলানি থেকে পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় জ্বালানী। আমেরিকার সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ গবেষক এমন উপায় বের করেছেন যার ফলে পুরাতন কফি'র তলানি থেকে ভবিষ্যতের গাড়ি, ফার্নেস ও অন্যান্য উৎসের জন্য সাশ্রয়ী ও পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী পাওয়া সম্ভব।তারা দেখিয়েছেন যে, বর্জ্য কফির তলানি থেকে বায়োডিজেল ও সক্রিয় কার্বনসহ তিন ধাপে জ্বালানী রূপান্তর সম্ভব:  বর্জ্য থেকে তেল পৃথক করে। বায়োডিজেল উৎপাদনে ইম্পিউরিটি পৃথকীকরণে তেল অপসারণের পর বর্জ্য কফির তলানি শুকিয়ে। জৈব-বস্তু বা বায়োমাস ব্যবহারের অনুরূপ বিদ্যুতের জন্য একটা বিকল্প শক্তির উৎস হিসেবে বাকি যা ছিল তা পুড়িয়ে।গবেষকরা পরীক্ষার জন্য দোকান থেকে পাঁচ গ্যালনের এক বালতি বর্জ্য কফি তলানি সংগ্রহ করেন। সংগ্রহের পর বর্জ্য কফি'র তলানি থেকে তেল  এবং  বায়োডিজেল ও উপজাত  গ্লিসারিনে রূপান্তরিত ট্রাইগ্লিসেরাইড (তেল) বের করে ফেলেন। তা…

বৈদ্যুতিক বাতি কিনতেও আধুনিক শিক্ষা প্রয়োজন!

Image
বৈদ্যুতিক বাতি কিনতেও কি আধুনিক শিক্ষা প্রয়োজন?

আপনার রান্নাঘরের, বাথরুমের বা ড্রইংরুমের বৈদ্যুতিক বাতি ফিউজ হয়ে গেছ। কি করবেন? পুরাতনটা খুলে দেখবেন কত ওয়াট। আর দোকানে গিয়ে সেই মানের বা কাছাকাছি মানের আর একটা কিনে এনে লাগাবেন। কিন্তু আপনি সচেতন আপনার এনার্জি সেভিং এর প্রতি দ্বায়িত্ব রয়েছ। তাই তো জানা প্রয়োজন আপনার পুরাতন ৪০ বা ৬০ ওয়াটের ইনক্যান্ডিসেন্ট বাল্বের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং এর কত ওয়াটের বাল্ব কিনতে হবে যাতে আপনি পূর্বের বাল্বের সমান বা বেশি আলো পান। প্রকৃত এনার্জি বা টাকা সেভিং এর জন্য সঠিক স্থানে সঠিক বাল্ব লাগাতে হবে। অযথা বেশি আলোর বা প্রয়োজনীয় স্থানে কম আলোর বাল্ব লাগালে টাকা ও সেবা কোনটাই সেভ হবে না। সেভিং চিন্তা মাথায় রেখে, লাইট-বাল্বের জেনারেশন পরিবর্তনের সময়, আপনাকে আলোর পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য প্রথমেই আলো পরিমাপের একক সম্পর্কে সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।
আলো পরিমাপের একক হল লুমেন যা প্রতিটি বাল্বের প্যাকেটে লেখা থাকে। কিন্তু আমরা সাধারণত ওয়াট  দেখে বাল্ব কিনতে বেশি অভ্যস্ত। এখন ধরুন আপনার ৬০ ওয়াটের ইনক্যান্ডিসেন্ট বাল্বের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং বাল্ব লাগাবেন…

ভবিষ্যতের খাদ্য সমস্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জি.এম. ফুড

Image
উচ্চ ফলনশীল ফসল প্রয়োজন যা লবণাক্ত জমি ও পানিতে চাষ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে জি. এম. ফুডই আশার আলো দেখাতে পারে।




বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৬শ কোটি এবং ধারনা করা হচ্ছে আগামী ৫০ বছরে ইহা দ্বিগুণ হবে। এই বিস্ফোরিত জনসংখ্যার জন্য খাদ্য জোগাড় করা আগামী বিশ্বের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বুদ্ধাদের ধারনা জি.এম. ফুডই কেবলমাত্র ভবিষ্যতের খাদ্য সমস্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে।
সাম্প্রতকি বছরগুলোতে জি.এম. ফুড নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকার সংবাদপত্র গুলো বেশ চমকপ্রদ সংবাদ পরিবশেন করছে যার প্রভাব সারা বিশ্বের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে পরছে। উন্নত দেশগুলোর বিশেষ করে ইউরোপ-আমরেকিার বিভিন্ন পরিবশেবাদি ও জনস্বার্থ সংরক্ষনবাদি গ্রুপ সক্রিয়ভাবে এর বিরোধিতা করে আসছে। জি.এম. ফুড নিয়ে অনেক গবেষণা চলছে। এই ফুড গ্রহণের উপকারিতা ও অপকারিতার পক্ষে-বিপক্ষে অনেক তর্ক-বিতর্ক চলছে। নব্বই এর দশকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন (FDA) সরকারি ভাবে জি.এম ফুড অনুমোদনের নীতিমালা তৈরির কাজ করে।
জি.এম. ফুড কি?জি.এম. ফুড বা জি.এম.ও. (Genetically-Modified Organisms) হলো বহুল আলোচিত বিষয় যে পদ্ধতিতে প্রাণীকোষের পরিবর্তন …

ধূমপাণ কেন করি

Image
ধুমপান ক্ষতিকর, তবও মানুষ কেন ধুমপান করে



কোন সিগারেট কোম্পানিকে অন্যান্য পণ্যের মত প্রচার-প্রচারণা করতে হয় না। বলতে হয় না এই ব্রান্ড অন্যটার চেয়ে বেশি ভাল বা মজাদার।  তারপরও এর বিক্রি কিন্তু থেমে থাকে না। ক্রেতা কিন্তু ঠিকই খুঁজে নিচ্ছে তার পছন্দের ব্রান্ড। মজার ব্যাপার হল আপনি যদি ধুমপায়িকে তার ধুমপানের কারণ জিজ্ঞাসা করেন তাহলে সে বলবে-ধূমপান যে পরিমাণে মানুষিক প্রশান্তি দেয়, সেই পরিমাণ মানসিক চাপও প্রয়োগ করে। এর স্বাদকে বর্ণনা বা পরিমাপ করা যায় না। ধূমপান থেকে যে পরিমাণ প্রশান্তি পাওয়া যায়, অন্য কিছু থেকে সেটা সম্ভব নয়।

সিগারেটের অপর নাম মজা:আপনি যদি জানতে চেষ্টা করেন মানসিক চাপটা আসলে কি? দেখতে পাবেন এটা আসলে চিরাচরিত প্রত্যাশা বা চাহিদা, আর তা হল নিজেকে প্রকাশ করা। আপনি দেখবেন আমরা কেউই কখনও আমাদের শৈশবে সম্পূর্ণরূপে বেড়ে উঠিনা; আমরা সবসময় ভাবনাহীন আনন্দ খুঁজে বেড়াই। আমাদের বেড়ে উঠার সময় আনন্দগুলো সময়ের প্রয়োজনে কাজের এবং নিরলস প্রচেষ্টার অধীনস্থ হয়ে পড়ে। ধূমপান, এ সময় আমাদের অনেকের কাছে পূর্ণতা বা স্বাধীনতার বিকল্প হিসেবে আসে যা খুব তাড়াতাড়িই  অভ্যাসে পরিণত হয…

কাঠ পোড়ালে তরল হয়!

Image
কাঠ তরল হতে পারে! এটা একটা মজার প্রশ্ন, কাঠ পোড়ালে গলে না কেন? তার মানে সবাই জানে সবকঠিন পদার্থই একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর গলে যায়। অর্থাৎ তাপ বাড়াতে থাকলে এটা তরলে পরিণত হবে। এর পরও তাপ দিতে থাকলে উহা গ্যাসে পরিণত হবে। এটা স্কুল পড়ুয়াদের কাছে বিজ্ঞান মেলায় বা বিশেষ আয়োজনে মজার ও গর্বের প্রদর্শনী হতে পারে। আমরা অন্তত সবাই শৈশবে কম-বেশি আগুন নিয়ে মজা করেছি।


ওহ! মজার প্রশ্নের সহজ উত্তর হল কাঠ গলে না কারণ "কাঠের দহন বা জ্বলে যাওয়ার তাপমাত্রা  গলনাঙ্ক বা গলে যাওয়ার তাপমাত্রার চেয়ে কম"। কি রাজনৈতিক উত্তরের মতো হয়ে গেল! কিন্তু সমস্যা হলো, দহন বা জ্বলন কি? কাঠের দহন তাপমাত্রা কত? দহন বা জ্বলন সাধারণ অর্থে রাসায়নিক ক্রিয়া, যখন কোন দাহ্য পদার্থ (এখানে কাঠ) অক্সিডাইজার (আগুনের আসে পাশের বাতাস) এর উপস্থিতিতে এর রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে অন্য রাসায়নিক পদার্থে পরিণত হয়। প্রক্রিয়াটি মূলত এক্সোথার্মিক- যা আলো ও তাপ রিলিজ করতে পারে।


কাঠ সাধারণত সেলুলোজ, লিগনিন ও পানি দিয়ে তৈরি। কাঠ জ্বালালে তা ভেঙ্গে চারকল, পানি, মিথানল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়। এটা তেমন না, পানিকে…

মানব শরীরে বিদ্যুৎ তৈরির কৌশল

Image
বিদ্যুৎ যখন মানুষের শরীরে তৈরি হয়, তখন ইহা রাসায়নিক শক্তি থেকে তৈরি হয়আমরা সহজ কথায় বলতে পারি বিদ্যুৎ হল বৈদ্যুতিক চার্জ বা শক্তির স্থানান্তর। কখনও শক্তির দ্বিতীয় উৎস বা শক্তির প্রবাহ বলে অভিহিত করা হয়।আমাদের দৈনিন্দন জীবনে টেলিভিশন থেকে গাড়ি প্রত্যেকটি জিনিস বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত হয়, আর এর জন্য বিদ্যুতের একটি উৎসের প্রয়োজন। যখন বিদ্যুতের কথা আসে, তখন আমরা অসংখ্য উৎসের কথা বলতে পারি যা বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে। অতি-পরিচিত ও বিপুল পরিমাণে উৎপাদনের জন্য, আমরা উল্লেখ করতে পারি-  পানি-বিদ্যুৎ, পারমানবিক শক্তি, সৌর শক্তি এবং বায়ু শক্তি। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা আমাদেরকে এসব শক্তি ব্যবহার করে আশ্চর্য ও মুগ্ধকর জীবনোপকরণ যেমন- রোবটের আপ্যায়ন ও স্মার্ট ফোনের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছ। 


এসব শক্তির উৎস থেকে আমরা আসলে কি পাচ্ছি। ইলেকট্রন স্থানান্তরের শক্তি। আমাদের পুঁথিগত বিদ্যার দিকে পিছন ফিরে তাকালে দেখতে পাই- বিভিন্ন  ধরনের পরমাণুতে রয়েছে বিভিন্ন সংখ্যক প্রোটন, ইলেকট্রন ও নিউট্রন। প্রোটন পজিটিভ, ইলেকট্রন নেগেটিভ চার্জ বিশিষ্ট ও নিউট্রন চার্জ-হীন।

প্রত্যেকটির প্রাথমিক অংশ যেমন-অক্সিজ…

পিঁপড়ের সামাজিকতা

Image
দক্ষিণ এমেরিকার সৈন্য পিঁপড়ে যাদের সংখ্যা প্রতি কলোণীতে প্রায়  ৭০,০০০ হয়ে থাকেপিঁপড়ে সামাজিক জীব। এদের পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায়ই  পাওয়া যায়। স্বল্পপরিসরে অল্প কয়েক ডজন মিলে বাস করতে পারে আবার কয়েক মিলিয়ন- বিরাট এলাকা জুড়েও বাস করতে পারে। কিন্তু এদের সামাজিক বন্ধন ও কার্যক্রম বেশ সুশৃঙ্খল।

সম্প্রতি গবেষণায় পিঁপড়ের জীবন যাত্রার অনেক ঘটনা মানুষের জীবন যাত্রার সাথে অনেক মিল পাওয়া যায়-


পিঁপড়ে তাদের মৃতদেহ মাটিতে পুঁতে রাখে। সুশৃঙ্খলার সহিত সামর্থ অনুযায়ি কাজের দ্বায়ত্ব বন্টন করে কাজ করে।একে অন্যের সাথে সুন্দর যোগাযোগ রক্ষা করা, এমনকি খোঁষগল্প  বা চ্যাটিং করে।প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র একে অন্যের সাথে অদল-বদল করা, ইত্যাদি।
 প্রায়শই এদের মালামাল বহন করতে দেখা যায় যা এদের শরীরের ওজনের প্রায় ২০ গুণ পর্যন্ত ভারী হতে পারে।গবেষণা থেকে এত ভারী বস্তু বহনের রহস্য জানা যায়।  এদের কাঁধ বিশেষ ভাবে তৈরি যা এত ভারী বস্তু বহনের ভারসাম্য রক্ষা করে। কোন ভারী বস্তু বহনের সময় সমস্ত শরীর ও বস্তুর ওজনের সম্মিলিত ভরকেন্দ্র থাকে ঠিক শরীরের যে অংশের সাথে পা সংযুক্ত থাকে সেখানে। ফলে পাহাড়সম ঢালু প…