Monday, September 9, 2013
মানবদেহে ৬২,০০০ মাইল লম্বা ব্লাড ভ্যাসেল
Labels:
Bangla-Post,
Life-Style,
Modern-Science
Location:
Dhaka, Bangladesh
Friday, September 6, 2013
পোষাপ্রাণি সবার জন্য নয়
পোষাপ্রাণি থাকলেই অলৌকিক ভাবে মানসিক রোগ ভাল হয়ে যাবে এমন ধারনা করা ঠিক না।
পোষাপ্রাণি তাদের জন্য উপকারী ও আরামদায়ক যারা গৃহে প্রাণি পোষতে ভালবাসেন ও পছন্দ করেন। আপনার যদি কোন পোষাপ্রাণি না থাকে বা আপনি প্রাণি পোষতে পছন্দ না করেন তা হলে পোষাপ্রাণি থেরাপি বা আপনার জীবনের কোন পরিবর্তনের জন্য পোষাপ্রাণি কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না। এতে শুধু প্রাণি পোষাই হবে বাস্তব কোন উপকার পাওয়া যাবে না। কিছু অসুবিধা নিম্নরূপ-
পোষাপ্রাণির জন্য টাকা খরচ: ক্রয় করার জন্য খরচ, প্রতিদিনের জন্য খরচ,
লাইসেন্স খরচ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার
জন্য খরচ, আবাসস্থলের জন্য খরচ ও অন্যান্য মেইনটেনেন্স খরচ। একজন
বেকার, বৃদ্ধ, ও সীমিত আয়ের ব্যক্তির জন্য এসব খরচ মিটিয়ে প্রাণি পোষা বেশ
কষ্টকর।
পোষাপ্রাণির জন্য সময় ও মনোযোগ প্রয়োজন: আপনি আপনার পোষা কুকুরটি তার ঘরে সারাদিন আটকে রেখে নিয়মিত খাবার
দিচ্ছেন আবার চিন্তা করছেন এ থেকে তো কোন থেরাপিক উপকার পাচ্ছেন না; হ্যাঁ, কুকুরের প্রতিদিন সু-আনুপাতিক ব্যায়াম ও বিশ্রাম প্রয়োজন। অন্যান্য পোষাপ্রাণিরও
প্রতিদিনের দেখাশুনা ও যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। এরাও সামাজিক যোগাযোগ করে থাকে।
শুধুমাত্র সীমিত সময়ের জন্য এদেরকে একা রাখা যেতে পারে।
পোষাপ্রাণি ক্ষতির কারণ হতে পারে: যে কোন পোষাপ্রাণিরই মাঝেমধ্যে ভুল বা অসাবধানতা-বশত বিভিন্ন
ত্রুটি হতে পারে, যেমন- বিড়াল আসবাবপত্র
নষ্ট কনতে পারে, কুকুর জুতা চিবোতে পারে ইত্যাদি। যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে
ক্ষতিকর ও বর্জনীয় আচরণগুলো কমানো সম্ভব।
পোষাপ্রাণির জন্য দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন: আকার বা প্রজাতি কোন বিষয় না, মালিক দায়িত্বশীল না হলে
অধিকাংশ কুকুরই মানুষকে আঘাত করতে পারে। এমনকি বিড়ালও কামড়াতে বা আঁচড় দিতে পারে।
প্রাণির মালিককে যে কোন ধরনের ক্ষতি বিশেষ করে শিশুদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
কিছু লোকের জন্য পোষাপ্রাণি ক্ষতিকর: এলার্জির মতো কিছু রোগ মানুষের হাতের সাহায্যে প্রাণির দেহ
বিশেষ করে কুকুর ও বিড়াল থেকে মানবদেহে প্রবাহিত হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি একজন
পোষাপ্রাণির মালিক হওয়ার পূর্বে এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আপনার কোন বন্ধু বা আত্মীয়
যাদের এলার্জি আছে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে তাদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পোষাপ্রাণি থেকে ক্ষতি কমানোর উপায়:
শিশু, গর্ভবতী ও কিছু দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন লোক প্রাণি থেকে
ক্ষতির সম্ভাবনা বেশী। এসব ক্ষতির পরিমাণ কমানোর কিছু টিপস-
যে কোন প্রাণি
স্পর্শ করার পর হাত ভাল করে ধৌত করতে হবে।
আপনার পোষাপ্রাণি
সবসময় পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর রাখুন এবং নিয়মিত টীকা দিন।
৫ বছরের কম বয়সের
শিশুরা যখন পোষাপ্রাণির সংস্পর্শে যায় তখন বিশেষ সতর্ক থাকুন।
পোষাপ্রণিকে চুমো
দেওয়া থেকে আপনার শিশুকে বিরত রাখুন এবং
হাত বা কোন বস্তু দ্বারা স্পর্শ করার পর তা মুখে দেওয়া থেকে বিরত রাখুন।
গর্ভাবস্থায়
লিটারবক্স বা ময়লার ঝুড়ি পরিবর্তন থেকে বিরত থাকুন, কারণ টক্সোপ্লাজমসিস ও প্যারাসাইটিক ডিজিস্ সাধারণত বিড়াল
থেকে ছড়ায়।
জীবনের প্রয়োজনেই পোষাপ্রাণি
যাদের পোষাপ্রানি আছে তারা নিজেদেরকে অন্যদের তুলনায় অনেক সুখী, অনেক স্বাধীন ও অনেক নিরাপদ মনে করে।
তবে গুরুত্বের বিষয় হল যেটা আপনার জন্য সবচেয়ে ভাল
এমন পোষাপ্রাণি নির্বাচন করতে হবে। আপনার শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্যের সাথে মিল
রেখে আপনার পোষাপ্রাণি নির্বাচন করাই
শ্রেয়-
ঘরের বাহিরের ক্ষুদ্র কর্ম: আপনি যদি আপনার অধিকাংশ সময় ঘরের ভিতরে কাটান তাহলে এমন
প্রাণি নির্বাচন করুন যা আপনার পরিবেশর সাথে মানিয়ে নিতে পারবে। এক্ষেত্রে একটি
বিড়াল, মাছ বা পাখি আপনার সাথে খেলা করে আপনাকে আনন্দ দিতে পারে।
বেশি পরিশ্রমীদের জন্য: আপনি যদি অধিক পরিশ্রমী হয়ে থাকেন এবং আপনার কার্যক্রম অধিকাংশই ঘরের বাহিরে অর্থাৎ নিয়মিত হাটা, দৌড়ানো হয়, তাহলে কুকুর
আপনার জন্য উত্তম পোষাপ্রাণি হতে পারে।
ছোট শিশু ও বয়স্কদের জন্য: পরিবারে যদি ছোট শিশু বা বয়স্ক লোক থাকে তাহলে পোষাপ্রাণি
নির্বাচনের সময় এর আকার ও শক্তি সামর্থ্যের দিকটি লক্ষ্য রাখতে হবে। পাপ্পি ও
কিট্টেন জাতিরা সাধারণত পরিশ্রমী হয়, কিন্তু ছোট হালকা ও ডেলিকেট জাতিয় পোষাপ্রাণিগুলো খুব সাবধানতার সাথে পরিচালনা
করতে হয়। বড় রেমবাংকসিয়াস কুকুরগুলো অনেক সময় শিশু বা বড়দেরও অসাবধানতা বশত
ক্ষত বা আঁচর কেটে দিতে পারে।
বাড়ির পরিবেশ: আপনি যদি আপনার
বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন, পশুর লোমমুক্ত, কাদাযুক্ত পায়ের ছাপমুক্ত রাখতে ভালবাসেন তাহলে খোলা পরিবেশ পছন্দকারী কুকুর
বা লম্বা চুলযুক্ত বিড়াল নির্বাচন করা আপনার জন্য উপযুক্ত হবে না। বরং আপনি মাছ বা
কচ্ছপ, পাখি, হ্যামস্টার বা রেপটাইল জাতিয় যারা তাদের নিজেদের ঘরের মধ্যে
আ-বধ্য থাকতে পছন্দ করে এমন প্রাণি নির্বাচন করতে
পারেন।
ল্যান্ডস্কেপ পরিবর্তন: কিছু প্রাণি আপনার আশেপাশের চিত্র পরিবর্তন করে ফেলবে, যেমন- কিছু কুকুর আপনার আঙ্গিনায় গর্ত করবে, কুকুরের প্রস্রাব হলুদ
রঙের ছাপ তৈরি করবে ইত্যাদি।
সময় ব্যয়ের নিশ্চয়তা: সর্বশেষ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনাকে মনে রাখতে
হবে ও নিশ্চয়তা দিতে হবে যে-সম্ভবত ১০, ১৫ বা ২০ বছর
আপনার পোষা কুকুর বা বিড়াল কখনও পাখির জন্য ৩০ বছর বা তারও বেশি সময় আপনি আপনার
পোষাপ্রাণির পাশে থাকবেন।
বিকল্প উপায়ে পোষাপ্রণির মালিক হওয়া:
সার্বক্ষণিক কোন পোষাপ্রাণির মালিক হওয়া হয়তো আপনার পক্ষে সম্ভব না
অথবা কোন পোষাপ্রাণি গ্রহণের পূর্বে পরীক্ষামুলক ভাবে পোষতে চান সেক্ষেত্রে কোন
দেশে কিছু দোকান-মালিক ভাড়া-ভিত্তিতে দিয়ে থাকে। কুকুর বা বিড়াল ক্রয়ের পূর্বে
বন্ধুত্ব করার জন্যও ভাড়া-ভিত্তিতে পাওয়া যায় অথবা ভ্রমণের সময়ও আদর পাওয়ার জন্য
কোন কোন হোটেল ভাড়া-ভিত্তিতে এসব প্রাণি পেতে সাহায্য করেন।
পশুসহায়ক থেরাপি ও কার্যক্রম:
বিভিন্ন প্রতিবন্ধী যেমন-স্কিজোফ্রেনিয়া, ডিপরেশন, এ্যনজাইটি ডিজঅর্ডার, ইটিং
ডিজঅর্ডার, এ্যটেংশন-ডিফেক্ট হাইপার এ্যকটিভিটি
ডিজঅর্ডার, অটিজম ও হোস্ট অব ডেভলপমেনটাল
ডিজাবলিটিস এর চিকিৎসার জন্য পশু-সহায়ক থেরাপির কাজে স্বেচ্ছা-সেবক পশু যেমন-ঘোড়া, কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর, খরগোশ, পাখি এবং মাছ ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়। এসব পশুর সাহায্যে তাদের ভীতি
কমিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো হয়।
পোষাপ্রাণিও পশু-সহায়ক কার্যক্রমে ব্যবহার হতে পারে। পরিদর্শনের জন্য
আহ্বানকরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান
যেমন-শিশু হাসপাতাল, নার্সিং
হোম, সহায়ক আবাসন, হসপিস প্রোগ্রাম, শেল্টার ও স্কুল তারা প্রশিক্ষিত পশুর
সাহায্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় প্রশিক্ষিত পশুগোলো শিশুদের সাথে খেলা করে আনন্দ দেয় ও মন থেকে
সমস্যার কথা ভুলিয়ে দেয়।
Labels:
Bangla-Post,
Life-Style
Location:
Dhaka, Bangladesh
প্রতিবন্ধী ও শিক্ষা অমনোযেগি শিশুদের জন্য পোষাপ্রাণি
কিছু প্রতিবন্ধী ও শিক্ষা অমনোযেগি শিশুদের সাথে মানুষের চেয়ে পোষাপ্রাণি অধিক কার্যকরী-ভাবে মিশতে পারে।
প্রতিবন্ধী শিশুরা অনেক সময় আকার-ইঙ্গিতে যোগাযোগ করে থাকে ঠিক পশুরা যেভাবে করে, তাই তো একটি পোষা কুকুর বা বিড়াল বা অন্য কোন পোষাপ্রাণি তার প্রাথমিক শিক্ষায় অনেক সাহায্য করতে পারে:
পোষাপ্রাণি
প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্য্য ও সহনশীলতার সহিত শিক্ষা প্রদানে সাহায্য করে এবং
প্রতিবন্ধকতার চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করার জন্য অধিক যোগ্য করে তুলে।
প্রতিবন্ধী
শিশুরা পোষাপ্রাণির সাথে খেলাধুলা ও ব্যায়াম করে প্রতিবন্ধকতার কষ্টকে জয় করতে
শিখে এবং সারাদিন উদ্দীপনার সাথে পার করে।
একজন প্রতিবন্ধী
শিশু যখন ঘোড়ায় চড়ে তখন সে নিজেকে একজন সাধারণ শিশুর মতোই ভাবে, এতে তার মনোবল ও আত্ববিশ্বা অনেকগুণ বেড়ে যায়।
Labels:
Bangla-Post,
Life-Style,
Modern-Science
Location:
Dhaka, Bangladesh
স্বাস্থ্যকর জীবনধারার জন্য পোষাপ্রাণি
স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় পরিবর্তিত হওয়ার জন্য নিরাশতা, মানসিক চাপ, সিদ্ধান্তহীনতা ও রাগ ইত্যাদি বিষয়কে সহজ করে গ্রহণ করার পদ্ধতি কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে।
আপনার যদি কোন পোষা প্রাণি থাকে যা আপনাকে স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় নেওয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে পরিবর্তন করতে পারে-
ব্যায়াম বা শরীর
চর্চা বৃদ্ধ করে-প্রতিদিন জিমে
গিয়ে একই ধরনের ব্যায়াম আপনাকে সহজেই বিরক্তি ধরাতে পারে; কিন্তু দৈনিক ব্যায়ামের তালিকায় আপনার পোষা কুকুরকে হাটানো,
ঘোড়ায় চড়া, অথবা শুধু পোষাপ্রণির সাথে দৌড়াদৌড়ি ও মজা করা রেখেও সুস্থ
থাকতে পারেন।
বন্ধুত্ব বজায়
রাখা-পৃথকত্ব ও একাকীত্ব মানুষকে অকার্যকারিতা বা
নিরাশতা এমনকি আরও খারাবের দিকে নিয়ে যায়। একটা জীবন্ত প্রাণি সাথে থাকলে তা
প্রয়োজনীয়তা, চাহিদা ও সমস্যা থেকে বের
হয়ে আসার ইচ্ছা অনুভূতি জাগ্রত করতে সাহায্য করে। অধিকাংশরাই তাদের পোষাপ্রাণির
সাথে কথা বলে থাকে, অনেকে আবার তাদের
সমস্যাতে পোষাপ্রাণিকে কাজে লাগিয়ে থাকে।
নতুন লোকজনের
সাথে মিশতে সহায়তা করা- পোষাপ্রাণি তার মালিকের জন্য বড়ধরনের সামাজিক আঠা হিসেবে
কাজ করে। কারণ কুকুরের মালিক প্রায়শই হাটার সময় বা কুকুরের পার্কে থামে ও অন্যের সাথে কথা বলে। অন্যান্য পোষাপ্রাণির
মালিকরাও দোকান, আড্ডায় বা বিভিন্ন ক্লাসে অন্যদের সাথে আলোচনা করে থাকে।
ভীতি কমানো- যখন কারো সাথে একটি পোষা কুকুর থাকে তখন
সে নিজেকে অনেকটা আয়েশি ও আত্মবিশ্বাসী মনে করে এবং মনে করা হচ্ছে দিন দিন ভীতি
পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছে।
দৈনন্দিন কাজের
কাঠামো ও নিয়মানুবর্তিতা তৈরি হওয়া- অনেক পোষাপ্রাণি
বিশেষ করে কুকুরের জন্য দৈনন্দিন খাদ্য ও
ব্যায়ামের তালিকা
থাকতে হবে। এটা বিবেচ্য বিষয় নয় যে আপনি আনন্দিত না দুঃখিত, রাগান্বিত না শান্ত, যথাসময়ে আপনাকে ঘুম থেকে উঠতে হবে এবং বিছানা ছাড়তে হবে
কারণ আপনার পোষাপ্রাণিকে খাওয়াতে হবে, ব্যায়াম করাতে হবে ও তার যত্ন নিতে হবে।
মানসিক চাপ কমানোর চাবি-কাঠি-অতি
তাড়াতাড়ি মানসিক চাপ কমানোর সহজ ও কার্যকর উপায় হল পোষাপ্রাণিকে স্পর্শ ও নড়াচড়া
করা। বেশি ভাল হয় যদি বিড়ালকে আদর করা যায় বা কুকুরকে হাটানো যায়।
বৃদ্ধদের জন্য পোষাপ্রাণি:
জীবনের বিভিন্ন বড় বড় পরিবর্তনের সাথে যেমন-অবসর
গ্রহণ, ভালবাসার কোন লোককে হারানো,বয়োবৃদ্ধ কারণে শারীরিক পরিবর্তন হওয়া, এসময় পোষা-প্রাণী বিভিন্ন উপায়ে
স্বাস্থ্যকর সময় অতিবাহিতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে:
জীবনের মানে ও
আনন্দ খুঁজে পেতে সহায়তা করে: মানুষ বৃদ্ধ
হওয়ার সাথে সাথে সে তার
ব্যস্ত ও অর্থবহ সময়কে হারিয়ে ফেলে। সে তার পেশা থেকে অবসর গ্রহণ
করে ও সন্তান তার থেকে দুরে সরে যায়। এসময়
একটি পোষাপ্রাণিই তাকে আনন্দ দিতে পারে এবং তার স্পৃহা ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিতে
পারে। পোষাপ্রাণির দেখাশুনা করে আত্বসমৃদ্ধি উপলব্ধি করতে পারে;
যোগাযোগ রক্ষা
করে:
বৃদ্ধ বয়সে সামাজিক
যোগাযোগ রক্ষাকরা সবসময় সহজ হয় না। অবসর, অসুস্থতা, মৃত্যু এবং
স্থানান্তর পরিবারের সদস্য ও নিকট আত্মীয়দেরও দুরে সরিয়ে দেয়। এসময় নতুন বন্ধু
জোগাড় করাও সহজ নয়। নতুন লোকের সাথে মিশা ও কথোপকথনে পোষা কুকুর এসময় বেশ
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে;
জীবনী শক্তি
বৃদ্ধি করে: নিজের প্রতি ভাল
ভাবে
যত্ন নিয়ে বয়ো-বৃদ্ধিজনিত অনেক
চ্যালেঞ্জই মোকাবেলা করা সম্ভব। এক্ষেত্রে পোষাপ্রাণি খেলাধুলা, আনন্দ-ফুর্তি ও ব্যায়াম করতে অনুপ্রাণিত করে যা শরীরের প্রতিরোধ
ক্ষমতা বাড়িয়ে জীবনী শক্তি বৃদ্ধি করে।
শিশুদের জন্য পোষাপ্রণি:
![]() |
যেসব শিশু পোষাপ্রাণির সাথে বেড়ে উঠে
তাদের শুধু এলার্জি ও এ্যজমা হওযার সম্ভাবনা কম তাইনা, তারা পোষাপ্রাণি থেকে দায়িত্বশীলতা, দয়াশীলতা ও ধর্য্যশীলতাসহ অন্যান্য
গুণাবলি অর্জন করে। শিশুদের সাথে পোষাপ্রাণি কখনও ক্রিটিক্যাল আচরণ বা নির্দেশ
প্রদান করে না। এরা বাড়িতে সবসময় শিশুদের
সাথে বন্ধু-সুলভ সঙ্গ দেয় এবং শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়
একটি কুকুর বা বিড়াল শিশুর পাশে থাকলে মাতা-পিতা নিশ্চিন্তে দূরে থাকতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে অনেক রাগী শিশুদেরও পোষাপ্রাণি অতিকার্যকরি ভাবে শান্ত
স্বভাবে পরিবর্তন করতে পারে। অবশ্য শিশু ও পোষাপ্রাণি উভয়কেই সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ
দেয়া প্রয়োজন।
শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ই পোষাপ্রাণির
সাথে খেলা করে প্রশান্তি ও আনন্দ লাভ করতে পারে, মন ও দেহকে করতে পারে উজ্জিদ্বিত। পোষাপ্রাণির সাথে খেলা শিশুর
শিখার পথকে করে সুগম। এটা শিশুর
চিন্তাশক্তি ও আগ্রহকে বাড়িয়ে তুলে।
Labels:
Bangla-Post,
Life-Style,
Modern-Science
Location:
Dhaka, Bangladesh
পোষাপ্রাণি দিয়েই চিকিত্সা সেবা
পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পোষা প্রাণি যেমন-অন্ধদের জন্য গাইড ডগ মানুষকে অনেক বড় উপকার করে থাকে।
সব ধরনের পোষা প্রাণিই যেমন- কুকুর, বিড়াল, এমন কী গোল্ড-ফিস থেকেও আমরা বিভিন্ন ধরনের থেরাপি সুবিধা পেয়ে থাকি। পোষা প্রাণি মানুষকে একাকীত্ব থেকে মুক্ত করে; মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে; সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সুন্দর ভূমিকা রাখে; শরীরচর্চা ও খেলোয়ারমনা হতে উত্সাহিত করে এবং কোন ধরনের শর্ত ছাড়াই আমাদেরকে ভালবাসা ও বন্ধুত্ব দিয়ে থাকে এমনকি কখনও কখনও জীবনের বিনিময় হলেও!
মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর
পোষাপ্রাণির প্রভাব: যেখানে অধিকাংশ পোষাপ্রাণির মালিকের কাছেই এটা স্পষ্ট যে
জীবনের তাৎক্ষনিক আনন্দগুলো তাদের সাথী পোষাপ্রাণির সাথে ভাগাভাগির মাধ্যমেই আসে; কিন্তু তাদের অনেকেই জানেন না যে
শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুবিধাও তাদের এই বন্ধুদের সাথে খেলা-দোলা আর আড্ডা
দিয়েও পাওয়া সম্ভব। মানুষ ও প্রাণির মধ্যে বন্ধুত্বের সুবিধা অসুবিধার বিষয়টি নিয়ে
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের জন্য অতিসম্প্রতি গবেষণা শুরু হয়েছে। আর এসব গবেষণা থেকে
জানা যায় যে-
যাদের পোষা
প্রাণি আছে তারা যাদের পোষা প্রাণি নাই তাদের তুলনায় অনেক কম মানসিক অশান্তিতে
ভূগেন;
বিভিন্ন মানসিক
চাপে যাদের পোষা প্রানি আছে তারা যাদের পোষাপ্রানি নাই তাদের তুলনায় অনেক কম রক্ত
চাপে ভূগেন;
পোষা প্রাণির
সাথে খেলা করে সেরোটনিন ও ডোপামাইন এর
পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব যা দেহ ও মন শান্ত ও হালকা করে;
যাদের পোষা
প্রাণি আছে তাদের যাদের পোষা প্রাণি নাই তাদের তুলনায় কোলেস্টরেলের পরিমাণ ও
হার্টের অসুখ তুলনামূলক ভাবে অনেক কম;
হার্ট এ্যটাককারী
যেসব রোগীর পোষা প্রানি আছে তারা যাদের নাই তাদের তুলনায় বেশি দিন বেঁচে থাকতে
পারেন;
৬৫ বছরের বেশি
বয়সী যাদের পোষা প্রানি আছে তাদেরকে যাদের নাই তাদের তুলনায় ৩০% কম ডাক্তারের নিকট যেতে হয়;
পোষা কুকুর বা
বিড়াল হতে হবে এমন নয়, বরং একুরিয়ামের
মাছের দিকে তাকানোও পেশির চাপ ও রক্ত প্রবাহের গতি নিয়ন্ত্রনে থাকতে সহায়তা করতে
পারে।
মানুষের প্রাথমিক চাহিদার একটি হল
স্পর্শ করা আর সকল পোষা প্রাণিই তা পূরণ করে থাকে, তাই পোষাপ্রাণি এসব থেরাপিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। এমনকি ভয়ংকর
অপরাধী কয়েদিও দীর্ঘ সময় পোষা প্রানির সংস্পর্শে থেকে তাদের আচরণ পরিবর্তিত হতে
দেখা গেছে। আমরা অতিরিক্ত চাপ ও ক্লান্তিকর সময়ে আদরের পোষাপ্রাণিকে কাছে টেনে
জড়িয়ে ধরে বা স্পর্শ করে অতি অল্প সময়ে প্রশান্তি ও আনন্দ অনুভব করি।
Labels:
Bangla-Post,
Life-Style,
Modern-Science
Location:
Dhaka, Bangladesh
Subscribe to:
Posts (Atom)
Follow Our Facebook Page
WAZIPOINT // Engineering Reference
FIG. FB-01
Follow WAZIPOINT Engineering
Field guides, standards updates & calculator tools — IEC / BNBC 2020 / PGCB-BPDB-DESCO-DPDC practice notes.
wazipoint.com — engineering reference & field notes
-
What is Bus-bar? Bus-bar is the common header where one or multiple sources poor the power also one or more sources can take power simul...
-
How to Calculate PCD (Pitch Circle Diameter)? PCD is the short form of Pitch Circle Diameter ; the Pitch Circle Diameter (PCD...
-
Bangladeshi all National and Regional Bangla Newspaper List in a Single Click
-
Different Rating's Fuses Fuse Rating Calculating Guide The function of a fuse is to break a circuit when a current threshold...
-
Fig: Power Transformer A power transformer is a crucial component in electrical substations that plays a fundamental role in the generatio...
-
Fig: Three Phase Motor connection diagram with a star-delta starter. What is Star Delta Starter for Motor Starting? Star-Delta start...
-
How Calculate Capacitance of Underground Power Cable? Capacitor is nothing but a two parallel metal plate separated by a dielectric...
-
Electrical Appliances or Tools in Our Daily Life Do you want to know the name of electric-powered appliances or tools and want to increase y...
-
Different Types of Engineering Discipline s Engineering is traditionally categorized into six primary branches: biomedical, chemical, civil,...
-
What are the Refrigeration Principles? 1. Heat always moves from a warm area to a cooler area. 2. To cool an area, heat must be removed fro...

.jpg)