Posts

Showing posts from October, 2013

বৈদ্যুতিক বাতি কিনতেও আধুনিক শিক্ষা প্রয়োজন!

Image
বৈদ্যুতিক বাতি কিনতেও কি আধুনিক শিক্ষা প্রয়োজন?

আপনার রান্নাঘরের, বাথরুমের বা ড্রইংরুমের বৈদ্যুতিক বাতি ফিউজ হয়ে গেছ। কি করবেন? পুরাতনটা খুলে দেখবেন কত ওয়াট। আর দোকানে গিয়ে সেই মানের বা কাছাকাছি মানের আর একটা কিনে এনে লাগাবেন। কিন্তু আপনি সচেতন আপনার এনার্জি সেভিং এর প্রতি দ্বায়িত্ব রয়েছ। তাই তো জানা প্রয়োজন আপনার পুরাতন ৪০ বা ৬০ ওয়াটের ইনক্যান্ডিসেন্ট বাল্বের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং এর কত ওয়াটের বাল্ব কিনতে হবে যাতে আপনি পূর্বের বাল্বের সমান বা বেশি আলো পান। প্রকৃত এনার্জি বা টাকা সেভিং এর জন্য সঠিক স্থানে সঠিক বাল্ব লাগাতে হবে। অযথা বেশি আলোর বা প্রয়োজনীয় স্থানে কম আলোর বাল্ব লাগালে টাকা ও সেবা কোনটাই সেভ হবে না। সেভিং চিন্তা মাথায় রেখে, লাইট-বাল্বের জেনারেশন পরিবর্তনের সময়, আপনাকে আলোর পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য প্রথমেই আলো পরিমাপের একক সম্পর্কে সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।
আলো পরিমাপের একক হল লুমেন যা প্রতিটি বাল্বের প্যাকেটে লেখা থাকে। কিন্তু আমরা সাধারণত ওয়াট  দেখে বাল্ব কিনতে বেশি অভ্যস্ত। এখন ধরুন আপনার ৬০ ওয়াটের ইনক্যান্ডিসেন্ট বাল্বের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং বাল্ব লাগাবেন…

ভবিষ্যতের খাদ্য সমস্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জি.এম. ফুড

Image
উচ্চ ফলনশীল ফসল প্রয়োজন যা লবণাক্ত জমি ও পানিতে চাষ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে জি. এম. ফুডই আশার আলো দেখাতে পারে।




বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৬শ কোটি এবং ধারনা করা হচ্ছে আগামী ৫০ বছরে ইহা দ্বিগুণ হবে। এই বিস্ফোরিত জনসংখ্যার জন্য খাদ্য জোগাড় করা আগামী বিশ্বের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বুদ্ধাদের ধারনা জি.এম. ফুডই কেবলমাত্র ভবিষ্যতের খাদ্য সমস্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে।
সাম্প্রতকি বছরগুলোতে জি.এম. ফুড নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকার সংবাদপত্র গুলো বেশ চমকপ্রদ সংবাদ পরিবশেন করছে যার প্রভাব সারা বিশ্বের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে পরছে। উন্নত দেশগুলোর বিশেষ করে ইউরোপ-আমরেকিার বিভিন্ন পরিবশেবাদি ও জনস্বার্থ সংরক্ষনবাদি গ্রুপ সক্রিয়ভাবে এর বিরোধিতা করে আসছে। জি.এম. ফুড নিয়ে অনেক গবেষণা চলছে। এই ফুড গ্রহণের উপকারিতা ও অপকারিতার পক্ষে-বিপক্ষে অনেক তর্ক-বিতর্ক চলছে। নব্বই এর দশকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন (FDA) সরকারি ভাবে জি.এম ফুড অনুমোদনের নীতিমালা তৈরির কাজ করে।
জি.এম. ফুড কি?জি.এম. ফুড বা জি.এম.ও. (Genetically-Modified Organisms) হলো বহুল আলোচিত বিষয় যে পদ্ধতিতে প্রাণীকোষের পরিবর্তন …

ধূমপাণ কেন করি

Image
ধুমপান ক্ষতিকর, তবও মানুষ কেন ধুমপান করে



কোন সিগারেট কোম্পানিকে অন্যান্য পণ্যের মত প্রচার-প্রচারণা করতে হয় না। বলতে হয় না এই ব্রান্ড অন্যটার চেয়ে বেশি ভাল বা মজাদার।  তারপরও এর বিক্রি কিন্তু থেমে থাকে না। ক্রেতা কিন্তু ঠিকই খুঁজে নিচ্ছে তার পছন্দের ব্রান্ড। মজার ব্যাপার হল আপনি যদি ধুমপায়িকে তার ধুমপানের কারণ জিজ্ঞাসা করেন তাহলে সে বলবে-ধূমপান যে পরিমাণে মানুষিক প্রশান্তি দেয়, সেই পরিমাণ মানসিক চাপও প্রয়োগ করে। এর স্বাদকে বর্ণনা বা পরিমাপ করা যায় না। ধূমপান থেকে যে পরিমাণ প্রশান্তি পাওয়া যায়, অন্য কিছু থেকে সেটা সম্ভব নয়।

সিগারেটের অপর নাম মজা:আপনি যদি জানতে চেষ্টা করেন মানসিক চাপটা আসলে কি? দেখতে পাবেন এটা আসলে চিরাচরিত প্রত্যাশা বা চাহিদা, আর তা হল নিজেকে প্রকাশ করা। আপনি দেখবেন আমরা কেউই কখনও আমাদের শৈশবে সম্পূর্ণরূপে বেড়ে উঠিনা; আমরা সবসময় ভাবনাহীন আনন্দ খুঁজে বেড়াই। আমাদের বেড়ে উঠার সময় আনন্দগুলো সময়ের প্রয়োজনে কাজের এবং নিরলস প্রচেষ্টার অধীনস্থ হয়ে পড়ে। ধূমপান, এ সময় আমাদের অনেকের কাছে পূর্ণতা বা স্বাধীনতার বিকল্প হিসেবে আসে যা খুব তাড়াতাড়িই  অভ্যাসে পরিণত হয…

কাঠ পোড়ালে তরল হয়!

Image
কাঠ তরল হতে পারে! এটা একটা মজার প্রশ্ন, কাঠ পোড়ালে গলে না কেন? তার মানে সবাই জানে সবকঠিন পদার্থই একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর গলে যায়। অর্থাৎ তাপ বাড়াতে থাকলে এটা তরলে পরিণত হবে। এর পরও তাপ দিতে থাকলে উহা গ্যাসে পরিণত হবে। এটা স্কুল পড়ুয়াদের কাছে বিজ্ঞান মেলায় বা বিশেষ আয়োজনে মজার ও গর্বের প্রদর্শনী হতে পারে। আমরা অন্তত সবাই শৈশবে কম-বেশি আগুন নিয়ে মজা করেছি।


ওহ! মজার প্রশ্নের সহজ উত্তর হল কাঠ গলে না কারণ "কাঠের দহন বা জ্বলে যাওয়ার তাপমাত্রা  গলনাঙ্ক বা গলে যাওয়ার তাপমাত্রার চেয়ে কম"। কি রাজনৈতিক উত্তরের মতো হয়ে গেল! কিন্তু সমস্যা হলো, দহন বা জ্বলন কি? কাঠের দহন তাপমাত্রা কত? দহন বা জ্বলন সাধারণ অর্থে রাসায়নিক ক্রিয়া, যখন কোন দাহ্য পদার্থ (এখানে কাঠ) অক্সিডাইজার (আগুনের আসে পাশের বাতাস) এর উপস্থিতিতে এর রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে অন্য রাসায়নিক পদার্থে পরিণত হয়। প্রক্রিয়াটি মূলত এক্সোথার্মিক- যা আলো ও তাপ রিলিজ করতে পারে।


কাঠ সাধারণত সেলুলোজ, লিগনিন ও পানি দিয়ে তৈরি। কাঠ জ্বালালে তা ভেঙ্গে চারকল, পানি, মিথানল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়। এটা তেমন না, পানিকে…

মানব শরীরে বিদ্যুৎ তৈরির কৌশল

Image
বিদ্যুৎ যখন মানুষের শরীরে তৈরি হয়, তখন ইহা রাসায়নিক শক্তি থেকে তৈরি হয়আমরা সহজ কথায় বলতে পারি বিদ্যুৎ হল বৈদ্যুতিক চার্জ বা শক্তির স্থানান্তর। কখনও শক্তির দ্বিতীয় উৎস বা শক্তির প্রবাহ বলে অভিহিত করা হয়।আমাদের দৈনিন্দন জীবনে টেলিভিশন থেকে গাড়ি প্রত্যেকটি জিনিস বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত হয়, আর এর জন্য বিদ্যুতের একটি উৎসের প্রয়োজন। যখন বিদ্যুতের কথা আসে, তখন আমরা অসংখ্য উৎসের কথা বলতে পারি যা বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে। অতি-পরিচিত ও বিপুল পরিমাণে উৎপাদনের জন্য, আমরা উল্লেখ করতে পারি-  পানি-বিদ্যুৎ, পারমানবিক শক্তি, সৌর শক্তি এবং বায়ু শক্তি। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা আমাদেরকে এসব শক্তি ব্যবহার করে আশ্চর্য ও মুগ্ধকর জীবনোপকরণ যেমন- রোবটের আপ্যায়ন ও স্মার্ট ফোনের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছ। 


এসব শক্তির উৎস থেকে আমরা আসলে কি পাচ্ছি। ইলেকট্রন স্থানান্তরের শক্তি। আমাদের পুঁথিগত বিদ্যার দিকে পিছন ফিরে তাকালে দেখতে পাই- বিভিন্ন  ধরনের পরমাণুতে রয়েছে বিভিন্ন সংখ্যক প্রোটন, ইলেকট্রন ও নিউট্রন। প্রোটন পজিটিভ, ইলেকট্রন নেগেটিভ চার্জ বিশিষ্ট ও নিউট্রন চার্জ-হীন।

প্রত্যেকটির প্রাথমিক অংশ যেমন-অক্সিজ…

পিঁপড়ের সামাজিকতা

Image
দক্ষিণ এমেরিকার সৈন্য পিঁপড়ে যাদের সংখ্যা প্রতি কলোণীতে প্রায়  ৭০,০০০ হয়ে থাকেপিঁপড়ে সামাজিক জীব। এদের পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায়ই  পাওয়া যায়। স্বল্পপরিসরে অল্প কয়েক ডজন মিলে বাস করতে পারে আবার কয়েক মিলিয়ন- বিরাট এলাকা জুড়েও বাস করতে পারে। কিন্তু এদের সামাজিক বন্ধন ও কার্যক্রম বেশ সুশৃঙ্খল।

সম্প্রতি গবেষণায় পিঁপড়ের জীবন যাত্রার অনেক ঘটনা মানুষের জীবন যাত্রার সাথে অনেক মিল পাওয়া যায়-


পিঁপড়ে তাদের মৃতদেহ মাটিতে পুঁতে রাখে। সুশৃঙ্খলার সহিত সামর্থ অনুযায়ি কাজের দ্বায়ত্ব বন্টন করে কাজ করে।একে অন্যের সাথে সুন্দর যোগাযোগ রক্ষা করা, এমনকি খোঁষগল্প  বা চ্যাটিং করে।প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র একে অন্যের সাথে অদল-বদল করা, ইত্যাদি।
 প্রায়শই এদের মালামাল বহন করতে দেখা যায় যা এদের শরীরের ওজনের প্রায় ২০ গুণ পর্যন্ত ভারী হতে পারে।গবেষণা থেকে এত ভারী বস্তু বহনের রহস্য জানা যায়।  এদের কাঁধ বিশেষ ভাবে তৈরি যা এত ভারী বস্তু বহনের ভারসাম্য রক্ষা করে। কোন ভারী বস্তু বহনের সময় সমস্ত শরীর ও বস্তুর ওজনের সম্মিলিত ভরকেন্দ্র থাকে ঠিক শরীরের যে অংশের সাথে পা সংযুক্ত থাকে সেখানে। ফলে পাহাড়সম ঢালু প…

প্রাণের বিবর্তনের নতুন ধারনা

Image
এই গ্রহে প্রথম প্রাণের আবির্ভাব ঘটে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে।
এমেরিকার ফ্লোরিডার ওয়েস্থিমার ইন্সটিটিউট ফর সাইন্স এন্ড টেকনোলজির প্রফেসর স্টিভেন ব্যানার নতুন তথ্য দিয়েছেন যে, পৃথিবীর সাথে তুলনা করলে বিলিয়ন বছর আগে মঙ্গলে প্রথম প্রাণের কোষ গঠনের জন্য অনেক উপযোগী ছিল। এ থেকে অনেকে এমনটা বিশ্বাস ও যুক্তি সম্পন্ন মনে করছেন যে  লাল গ্রহ মঙ্গলেই প্রথমে প্রাণের শুরু হয় এবং পরবর্তীতে উল্কার আকারে পৃথিবীতে আসে।
পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের ইতিহাস জানতে গেলে প্রাপ্ত বিভিন্ন ফসিলের তথ্য থেকে জানা যায় যে আমাদের এই গ্রহে প্রথম প্রাণের আবির্ভাব ঘটে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে। কিন্তু কিভাবে প্রথম প্রাণী কোষ পৃথিবীতে এলো সে বিষয়ে আমাদের জ্ঞানের পরিধি খুবই সীমিত।
বিজ্ঞানীদের তথ্যানুসারে গরম পৃথিবী ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হয়, এ সময় সাধারণ জৈব যৌগ  গঠন হয় যা ধীরে ধীরে একত্রিত হয়ে অধিক জটিল জৈব যৌগের তৈরি হয়। মহাসাগরিয় স্রোত ও সমুদ্রতলের জলবিদ্যুতের প্রভাবে সমুদ্র তলদেশে অধিকতর বৃহত্‌ যৌগ একত্রিত হয়ে শেষ পর্যন্ত প্রথম প্রোটোসেল গঠন করে।

ক্রমবর্ধমানের প্রমান থেকে দেখা যায় যে, প্রথম কোষে DNA এর পরিবর্তে RNA …