Posts

Showing posts from November, 2013

এই প্রিয় মাতৃভাষা

Image
মায়ের মুখের মধুর ভাষা
একটা ভিডিও ক্লিপ দেখতেছিলাম; বিষয় বস্তু মূলত একজন টুর অপারেট ম্যানেজার ও জৈনক কাস্টমারের সাথে টুর'ত্তোর ঝগড়ার দৃশ্য। মি. জন গত সপ্তাহে টুরে গিয়েছিল একটা টুর অপারেটর কোম্পানির তত্বাবধানে। যাওয়ার সময় প্লেন মিস না করলেও হোটেল থেকে এয়ারপোর্টে বাস পৌঁছতে দেরি করে প্রায় আধা ঘণ্টা। ফলে সবার মতো মি. জন'কেও মানুষিক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে।  তাছাড়াও গন্তব্যে পৌঁছানোর পর থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত সারাক্ষণ মুশলধারে বৃষ্টি থাকায় মি. জনের টুর'টা মোটেও ভাল হয়নি। তাই তো সার্ভিস ভাল না পেয়ে ম্যানেজারের কাছে এসেছেন কম্‌প্লেইন করতে। মি. জন'র দাবি যেহেতু টুর ভাল হয়নি তাই ম্যানেজার যেন মোট খরচের উপর ডিসকাউন্ট দিয়ে কিছু টাকা ব্যাক করেন। কিন্তু ম্যানেজারের লজিক- যেহেতু শেষ পর্যন্ত প্লেন মিস হয়নি ও সাইট-সি ভাল ভাবে না করাতে পারলেও তাকে পুরা হোটেল বিল পরিশোধ করতে হয়েছে, তাই কোন প্রকার ডিসকাউন্ট দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব না বলে ম্যানেজার দুঃখ প্রকাশ করছেন। অপরদিকে মি. জন তর্কে হেরে গিয়েও অন্তত "এক মাগে শীত যায়না" না বলে, শেষ করছেন "থ্যাংকস এনি ওয়ে&qu…

রঙ কথা বলে

Image
রং মানুষের মনের কথা বলে:
প্রত্যেক রঙেরই নিজস্ব অর্থ ও মনের মধ্যে আবেগ তৈরির এক বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। রঙ মনকে বলে দেয় কখন আনন্দে মেতে উঠতে হবে, আর কখন দুঃখে নীরব থাকতে হবে। তাই তো ফ্যাশনের ক্ষেত্রে রঙের সমন্বয় কিভাবে করতে হবে তা একটি অতি বিবেচ্য বিষয়। রঙ আপনার বাহ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রস্ফুটিত করতে পারে এবং একই সাথে আমাদের ও আমাদের চারিপাশের লোকজনের আচরণ প্রভাবিত করতে পারে। আপনার যদি জানা থাকে কোন রঙ কোন ধরনের আবেগ তৈরিতে সহায়তা করে তাহলে আপনি সহজেই পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথে সমন্বয় করে সঠিক রঙের পোশাক নির্বাচন করে সহজেই অন্যদের প্রভাবিত করতে পারেন।
পুরুষদের জন্য বিজনেস ও অফিসিয়াল ড্রেসে ট্রিমিংস যেমন-টাই, নেকটাই, বেল্ট, সু, মোজা ইত্যাদির রঙ নির্বাচন বিশেষ বিবেচ্য বিষয়। পোশাকের বড় অংশ যেমন-শার্ট ও প্যান্ট সাধারণত প্রচলিত রঙের হবে। সুটের রঙ সধারনত গ্রে, নেভি, জলপাই, চকলেট বা কফি। শার্ট অবশ্য বিভিন্ন রঙেরই হতে পারে, তবে অধিক ব্যাবহৃত হয় , সাদা, ব্লু ও গ্রে, অবশ্য পাশাপাশি ডোরা ও চেকও ব্যবহৃত হয়।
আমরা কিছু রঙের নিজস্ব অর্থ ও বৈশিষ্ট্য জেনে-নিব যা আমাদের পোশাকের সাথে সঠিক রঙের ট্রিমিং…

বর্জ্য কফি'র তলানিতে প্রতিশ্রুতিময় বিকল্প জ্বালানি

Image
বর্জ্য কফি'র তলানি থেকে  প্রতিশ্রুতিময় বিকল্প জ্বালানি পাওয়ার উপায় উদ্ভাবন করছেন বিজ্ঞানীরা


ভবিষ্যতের জ্বালানী সংকট নিয়ে কমবেশি সবাই চিন্তিত। আর এসময় আরও একটি আশার বার্তা হল- ফেলে দেওয়া পুরাতন কফি'র তলানি থেকে পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় জ্বালানী। আমেরিকার সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ গবেষক এমন উপায় বের করেছেন যার ফলে পুরাতন কফি'র তলানি থেকে ভবিষ্যতের গাড়ি, ফার্নেস ও অন্যান্য উৎসের জন্য সাশ্রয়ী ও পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী পাওয়া সম্ভব।তারা দেখিয়েছেন যে, বর্জ্য কফির তলানি থেকে বায়োডিজেল ও সক্রিয় কার্বনসহ তিন ধাপে জ্বালানী রূপান্তর সম্ভব:  বর্জ্য থেকে তেল পৃথক করে। বায়োডিজেল উৎপাদনে ইম্পিউরিটি পৃথকীকরণে তেল অপসারণের পর বর্জ্য কফির তলানি শুকিয়ে। জৈব-বস্তু বা বায়োমাস ব্যবহারের অনুরূপ বিদ্যুতের জন্য একটা বিকল্প শক্তির উৎস হিসেবে বাকি যা ছিল তা পুড়িয়ে।গবেষকরা পরীক্ষার জন্য দোকান থেকে পাঁচ গ্যালনের এক বালতি বর্জ্য কফি তলানি সংগ্রহ করেন। সংগ্রহের পর বর্জ্য কফি'র তলানি থেকে তেল  এবং  বায়োডিজেল ও উপজাত  গ্লিসারিনে রূপান্তরিত ট্রাইগ্লিসেরাইড (তেল) বের করে ফেলেন। তা…